এলোমেলো চিন্তাধারা – ১

 

ওয়েল, এটা আমার পার্সোনাল ব্লগ। শুধু নিজের লেখা গুলো প্রকাশ করার জন্যই এই ব্লগের জন্ম। কর্মাশিয়াল কোন কাজে ব্যবহার হয়না, তাই উলটা পালটা জিনিস লিখতেও সমস্যা নেই।

একটা সময় ভাবতাম, ব্লগে হাবি জাবি লেখা যাবে না। প্রচন্ড রাগ নিয়ে লিখতে বসে অনেক সময় শুধু গালি গালাজ এড়িয়ে যেতে গিয়ে লেখার ভাষা বদলে যেতো। রাগের মধ্যে মাথা ঠান্ডা করাও যেতো না, আবার ভাষাও সংযত রাখার আপ্রান চেষ্টা করতাম। দুয়ে মিলে লেখার ১২ টা বেজে যেতো। তার পর থেকে ঠিক করলাম, শালিনতার খেতা পুড়ি। মনের ভাষা প্রকাশ করলে হলে মনের মধ্যে যেভাবে এসেছে, সেভাবেই প্রকাশ করতে হবে।

এই মুহুর্তে মাথায় অনেক কিছু ঘুরতেছে। একটা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি। সেখানে একটা ফিচার যোগ করবো, কিন্তু কিভাবে করবো, সেটার প্লানটা মাথায় এখনো ঠিকমতো কাজ করছে না।

এক ক্লায়েন্টকে ৪ বার প্রপোজাল পাঠালাম। প্রথমবার পাঠালাম সব কিছু সুন্দর করে। বললো, খরচ একটু কমান। কমায়ে পাঠালাম। এবার বলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনও লাগবে। সেই জন্য আবার একজনরে হায়ার করতে হবে। মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো, তাও নতুন করে পাঠালাম প্রপোজাল আবার। এবার বলে ডোমেইন হোষ্টিং লাগবে। আমি তাকে শুরুতেই বলছিলাম ডোমেইন হোষ্টিং লাগবে কিনা? তখন বলছিলো লাগবে না, এখন বলে লাগবে। কি আজব !

মুরগীর মাংস রান্না করবো এখন, শালার মুরগী ফ্রীজ থেকে বের করে ভিজিয়ে রাখছি ১ ঘন্টা আগে। ট্যাপের পানি ফ্রীজের পানির মতোই ঠান্ডা। মাংস যে কখন নরম হবে, কে জানে !

সিক্রেটঃ গোসল করিনাই ৪ দিন হলো। বডি স্প্রেতেও আর কাজ হবে না কালকে থেকে ! ! !

ভাবতেছি ওয়েবসাইটে একটা পেজ রাখবো, কোন কোন টিভি সিরিজ দেখতেছি সেগুলার লিষ্ট থাকবে। এখন Castle 2009 এর ৪ নম্বর সিজন দেখতেছি। দেখে আরও মেজাজ খারাপ হচ্ছে, আরে বাল একজন রাইটার এবং একজন গোয়েন্দা একে অপরকে ভালোবাসে। ৪ বছর ধরে সেই লুকাচুরি চলতেছে, কেউ নিজের ফিলিংস প্রকাশ করে না। করতে গেলেও কোন না কোন কারনে পারে না ! হতাশ হয়ে গেলাম, আমি হলে ডাইরেক্ট জড়ায়ে ধরে বলে দিতাম। দুইজনের মধ্যে এতো প্যাশন একে অপরের প্রতি, অথচ প্রকাশ করার উপায় নাই !

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর ক্ষেত্রে একটা ষ্ট্যাটিক HTML পেজকে কিভাবে সাজাতে হয়, সে ব্যাপারে একটা মিনি বই লিখবো ভাবছি। চারটা পোষ্ট লিখছিলাম, পাবলিশ করিনাই। সেগুলোকেই একসাথে এক যায়গায় মিনি বুক আকারে প্রকাশ করবো।

সিগারেট কিনতে গিয়ে দেখি ষ্ট্যার লাইট নাই, গোল্ডলীফ পেলাম। এটা একটু বিপদজনক হয়ে যাচ্ছে। সিগারেট এমনিতেই খারাপ। তার ওপরে ব্র্যান্ড সুইচ করা ভালো না। একেকটার অবস্থা একেক রকম। যে কোন একটাতে কন্সট্যান্ট থাকতে হয়। পকেট এ টাকা থাকলে বেনসন, কম থাকলে গোল্ডলীফ, আর প্রায় না থাকলে ষ্টার লাইট। তবে রাতের বেলা কাজ করলে ষ্টার লাইটই খাই আমি !

3 Comments

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.